ভাইরাসের সংক্রমণের ঢাকার বাইরে মৃত্যুহার বাড়ছে ::

জাতীয়

দৈনিক সত্যের বাণীশুরু থেকেই দেশে নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। এ কারণে প্রথমদিকে ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুর হারও সবচেয়ে বেশি ছিল রাজধানী ঢাকায়। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, প্রাদুর্ভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর বাইরের জেলাগুলোয়ও এখন মৃত্যুহার বাড়ছে। গতকালও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের এ আক্রান্ত হয়ে মৃতদের বেশির ভাগই ছিলেন ঢাকার বাইরের বাসিন্দা। এছাড়া দেশে মহামারীতে মৃত্যুসংখ্যাও গতকালই দেড় হাজার অতিক্রম করেছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসের -এ আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৩৮ জন। এর মধ্যে রাজধানী ও ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলায় মোট মারা গিয়েছেন ১৫ জন। বাকি ২৩ জন অন্যান্য বিভাগের বাসিন্দা। সব মিলিয়ে দেশে গতকাল পর্যন্ত মহামারীতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫০২ জনে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে জানানো হয়, গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৮০ জন। এতে এখন পর্যন্ত দেশে ভাইরাসটিতে সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৮৬।

 

বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৩৮ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫০২-এ। এ ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ১৫ জন ঢাকা বিভাগের। এর বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, রাজশাহী বিভাগে দুই, খুলনা বিভাগে দুই, বরিশাল বিভাগে চার, সিলেট বিভাগে এক ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত এ ৩৮ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন ও নারী পাঁচজন। নাসিমা সুলতানা জানান, মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স ছিল ৮০ বছরের বেশি। এছাড়া ৭১-৮০ বছর বয়সসীমার মধ্যে তিনজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ১০, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ১৬, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে তিন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে এক, ২১-৩০ বছরের মধ্যে তিন এবং ১১-২০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

বুলেটিনে জানানো হয়, গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৬২টি পরীক্ষাগারে মোট ১৫ হাজার ৫৫৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সার্বিক মৃতের হার ১ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ সময়ে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৬১৮ জনকে। বর্তমানে সারা দেশে আইসোলেশনে রয়েছেন ১২ হাজার ৪৬৭ জন রোগী।

 

আইইডিসিআরের অনুমিত হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নেয়া রোগীদের মধ্যে আরো ১ হাজার ৬৭৮ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৭৫৫।

 

অনলাইন ডেস্ক

https://www.facebook.com/dailysotterbani/

 

SHARE

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *