স্বনামধন্য সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের মুনিয়া ও আনভীর ইস্যুতে অনুসন্ধানী তথ্য পাঠকের উদ্দেশ্যে : সেহলী পরভীনের (মানবাধিকারকর্মী) প্রতিক্রিয়া

জাতীয়

সাইদুর রহমান রিমন একজন অনুসন্ধান  পিপাসু দেশবরেণ্য সংবাদকর্মী। সাংবাদিক  বান্ধব, নারী বান্ধব, মানবিকতার এক উজজ্বল নক্ষত্র, নিভৃতচারী সাংবাদিক। তার প্ল্যাটফর্ম  সকলে জানেন কিন্তু ভিত্তিটা জানেন কী?  তার টাইমলাইনে সামান্যতম ইনফরমেশন  পেয়েই অগনিত ফেসবুকারদের লাফালাফি।  কী বলছেন?  কাকে বলছেন?  কিছু না ভেবেই এক অদ্ভুত উন্মাদনায় ডুবে আছে সবাই। তিনি কোথায় চাকরি করেন, তার বেতন বোনাস কী হলো এইসব ভাবার সময় আছে তার?  তার প্রকাশিত তথ্য কার পক্ষে গেলো, না গেলো এটা তার জন্য খুব নগন্য।

আপনাদের কমেন্টে শিক্ষা সভ্যতার বিন্দুমাত্র উপস্থিতি নেই। অশ্রাব্য  মন্তব্যকারীদের বলতে চাই, আপনাদের অশ্লীল  মন্তব্য কী নিরপেক্ষ? নিশ্চয়ই নয়। কোন তদন্ত  রিপোর্ট আছে আপনাদের কাছে? থাকার কথা নয়। একজন সাঈদুর রহমান রিমন কীভাবে তৈরি হয়েছে ভারাক্রান্ত সেই সংবাদটুকু আছে আপনাদের মানিব্যাগে?  থাকলেইবা কী আপনাদের অশালীন হবার সুযোগ আছে? প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রাইভেট তদন্ত  একে অপরের পরিপূরক।

আপনারা সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করুন,  ধৈর্য ধরুন। সত্য বের করে আনা এবং সেটিকে সত্য বলে স্বীকার করতে পারা ফেসবুক কমেন্টের মতো এতো সহজ নয়। আজ ফেসবুকে মুনিয়া / আনভীরের ছবি পোস্ট করতে করতে আপনারা পেরেশান। কিন্তু এতোদিন কোথায় ছিলেন?  অথবা এমন হাজারো মুনিয়ার বিরুদ্ধে এতোকাল  কেনো ছিলেন আপনারা? আপনাদের মতো সূফিগনের উপস্থিতিতে কীভাবে এই মুসলিম অধ্যূষিত জনপদে বেশ্যাবৃত্তি  শিল্পে পরিনত হলো?  আপনারা যদি নিরপেক্ষই  হতেন বাংলাদেশের ইতিহাসে রক্ষিতারা রাজনৈতিক নেতার লিষ্টে নাম লেখাতে  পারতো না। পারতো না কেউ  রক্ষিতাবৃত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে এই ৯৫% মুসলমানের দেশে। তদন্তের স্বার্থে সাইদুর রাহমান  রিমন সাহেবকে অনুসন্ধানী সঠিক তথ্য প্রকাশের সুযোগ দিন। বোঝার চেস্টা করুন। সবাইকে ধৈর্য ধারনের অনুরোধ রইলো।

SHARE

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *