হলুদ সাংবাদিকতার ঘুর্ণিঝড়ের বিপরীতে একটি নির্মল দিকপাল এবং আমাদের অনাগত আশঙ্কা।

লাইফস্টাইল

একজন কলম সৈনিক মূল্যবোধহীন হলে, পেশায় অনৈতিক হলে, একজন সাংবাদিক ভুল তথ্যে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে পরিচালিত হলে, একজন সংবাদকর্মী টাকায় বিক্রি হলে, অাপামর জনসাধারণের প্রত্যাশিত ছায়া সংসদ স্বাচ্ছন্দ, ভোগ বিলাস অার দেশদ্রোহী কাজে লিপ্ত থাকলে, সাংবাদিকতার কোড অগ্রাহ্য করে অশ্লীল এবং ভিক্টিমের ছবি নিয়ে অতিরঞ্জিত ঘটনা ঘটালে, প্রকৃত নথি ও প্রমান ছাড়া সন্দেহের বশবর্তী হয়ে খবর ছাপলে অামরা তাদেরকে হলুদ সাংবাদিক অাখ্যায়িত করি। কিন্তু কেন যেন অামার মনে হয়, হলুদ শব্দটি এখানে যথার্থ বা যথেষ্ট নয়।

হলুদ শব্দটি বসন্তের অনিবার্য সম্পদ। অামরা কেন ওদেরকে এমন ঐশ্বর্য্যে রাঙাবো? নতুন কোন উপযুক্ত শব্দ গঠনের মাধ্যমে তাদেরকে চিহ্নিত করা সময়ের দাবী। এরা ভুয়া সাংবাদিকদেরকেও সংঘবদ্ধ করছে। খবরের অন্তরালের খবরটি অনুসন্ধান করে বের করে অানার সময়টুকু পর্যন্ত অপেক্ষা করার ধৈর্য্য ধারন করতে তারা রাজি নয়।বস্তুনিষ্ঠ, পেশাদারিত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রাখা সাংবাদিকবৃন্দের কলমের উপর একসাথে ঝাপিয়ে পড়ে হিংস্র বাঘের মতো, সাথে রাখে ভুয়া সাংবাদিকদেরকেও।কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় হলো, বানর অার হোলা বিড়ালের সমন্বয়ে কী বাঘের গর্জন হয়? অামরা নাহয় একটু ছাড় দিয়ে ওদের এই সংঘবদ্ধতাকে কালোচিতার দল ভেবে নিলাম, তাতেও কী সমকক্ষতার বিষয়টি পরিপূর্ণ হয়? বনের রাজা সিংহ দাড়িয়ে আছে অতন্দ্র আধবোজা চোখে সটান পাজর মেলে। তিনিই সাঈদুর রহমান রিমন। জন্মই যার অনুসন্ধান পিপাসা নিয়ে। যে অনুসন্ধান শুধু ভিকটিমদের পাশে থাকার জন্য নয়।

এই অনুসন্ধান এদেশের সাংবাদিকতার হৃদপিন্ডের সকল প্রকার টক্সিন দূর করার, ষরিষার ভূত তাড়াবার। এই অনুসন্ধান সকল হলুদ আর ভূয়াদেরকে চিহ্নিত করে অনুসন্ধান পিপাসুদেরকে একটি নির্মল রঙিন পালের ছায়ায় পূনর্বাসন করার।কিন্তু এক অনাগত অাশঙ্কায় বুক কেপে উঠে। যেমন কাপে বুক মুমূর্ষুশিশুর শিয়রে অপেক্ষমান জননীর। এই সংঘবদ্ধ বানরদের সাথে বুনো ইদূরও রয়েছে। যার লোহা কাটার মতো ধারালো দাঁত অাছে। সমৃদ্ধ বেড়িকেট এবং সীমান্তের কাঁটাতার কাটার বহু নজির এদেশ বিষ্ময়ে দেখেছে।বাংলাদেশ সাঈদুর রহমান রিমনকে কতদিন বাচতে দিবে? এই অাশংকা শতভাগ অমূলক নয়। কারন, হলুদেরা শুধু ভূয়াদের সংঘবদ্ধ করে না।

এরা ভিন্ন রাষ্ট্রের ও দাতা গোষ্ঠীর পরোক্ষ প্রতিনিধিত্বও করে। স্বদেশ অামার! তোমার জন্য কাঁদে যে প্রেমময় চোখ, সেই সজল চোখকে তুমি কতদিন জাগ্রত থাকতে দিবে? এই প্রশ্নের ভাড় তোমাকেই নিতে হবে জন্মভূমি। কেননা, এই রিমন রুপক সাগরসম সরোবর থেকে কী পাবো, কী পেয়েছি সেই সব অংক মিলাতে দিকবিদিক আমরা সন্তান ভাই বোন সহযোদ্ধা বন্ধু স্বজন। প্রিয় স্বদেশ! নিজেরে ডুবিও না আর। ভাসো, ভাসাও, উড়াও এমন নির্মল দিকপাল। বাঁচো, বাঁচাও অনাথের পিতা,,,

SHARE

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *